বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, দুই ধর্ষক গ্রেপ্তার

নীলফামারীনিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট- নোয়াখালী  জেলার সেনবাগে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে (১৫) বছরের এক কিশোরীকে একাধিক সময় ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলার কেশারপাড় ইউপির উন্দানিয়া গ্রামের এমাম হোসেনের ছেলে আজিজুল ইসলাম রাজু (২৭) ও বীরকোট গ্রামে ইসমাইল হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম হৃদয় (২৩) নামেরে দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে সেনবাগ থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় দুইজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা নং ১৯ দায়ের করেছে ধর্ষিতা নিজে। সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল আলী পাটোয়ারীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে। পুলিশ বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে দুই ধর্ষককে নোয়াখালীর বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ ও ধর্ষিতার ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভিকটিম জানান, কয়েক মাস আগে কানকিরহাট বাজারের ফল দোকানদার রাজুর কাছ থেকে ফল কিনতে গিয়ে পরিচয় হয়। ওইদিন থেকে তাদের মন দেওয়া নেওয়া শুরু হয়। এক মাস আগে রাজু তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বাজারে ডেকে নিয়ে কানকিরহাট কমিউনিটি সেন্টারে জোরপূর্বক রাজু ও হৃদয় ধর্ষণ করে। এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয়রা সালিশ বৈঠক করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ধর্ষকদের ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করলেও তা কার্যকর হয়নি।

২১ এপ্রিল শবেবরাতের দিন রাত দেড়টায় ধর্ষক রাজু ভিকটিমের মানিকপুরের বসতঘরের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়ে। এ সময় ভিকটিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে রাজুকে আটক করে থানায় খবর দিলে সেনবাগ থানার এএসআই নাসির ভিকটিম ও ধর্ষক রাজুকে সেনবাগ থানায় নিয়ে আসেন। ধর্ষক রাজুর আরও একটি সংসার রয়েছে। নানা নাটকীয়তার পর পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে অবশেষে থানায় মামলা হয়। বুধবার বিকেলে সেনবাগ থানার ওসি মিজানুর রহমান দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’