জলঢাকায় প্রতিবেশীর স্ত্রীকে অসামাজিক কাজে দেখে ফেলায় শিশুর শরীরে গরম পানি!

নীলফামারীনিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট- নীলফামারীর জলঢাকায় প্রতিবেশীর স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলার ঘটনা সবাইকে বলে দেয়ায় প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তির শিশু সন্তানকে গরম পানিতে ঝলসে দিয়েছে ওই নারীর স্বামী- বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৭ জুন) উপজেলার পূর্ব বালাগ্রাম মসজিদ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশুটির নাম- ফজলে রাব্বি (৪)। সে ওই গ্রামের আব্দুর রহমানের পুত্র। বর্তমানে শিশুটি জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি অবস্থায় অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করছে।

শিশুটির বাবা আব্দুর রহমান জানান, ঈদের রাতে আমি বাড়ি ফিরছিলাম। ফেরার পথে কুমিল্লায় শ্রমিকের কাজ করতে যাওয়া প্রতিবেশী আতা মামুদের ছেলে আব্দুল লতিফের রান্নাঘরে শব্দ পাই। চোর ভেবে এগিয়ে গিয়ে দেখি লতিফের স্ত্রী রোজিনা বেগম এলাকার খাতির মামুদের ছেলে মাহাবুরের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত। আমাকে দেখে মাহাবুর সেখান হতে পালিয়ে যায় এবং রোজিনা মাহাবুরের পরিবারের সাথে আতাত করে।

পরে মাহাবুরের চাচা সাইদুল, সিরাজুল এক জোট হয়ে রাতেই আমার ঘর-বাড়ি ভাঙচুর চালায়। পরে শুক্রবার সকালে রোজিনার স্বামী আব্দুল লতিফ কুমিল্লা হতে বাড়ি ফিরলে রোজিনা আবারো আমার বাড়ি এসে ঝগড়া শুরু করে। তারা আমাকে আক্রমণ করার চেষ্টা করলে আমি সরে যাই। একপর্যায়ে আমাকে হাতের কাছে না পেয়ে পাশে চুলার ওপর চা করতে বসানো গরম পানির পাত্রটি আমার ছেলের গায়ে ঢেলে দেয় রোজিনার স্বামী লতিফ।

এ ব্যাপারে কথা বলতে আব্দুল লতিফের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জেড এ সিদ্দিকী বলেন, শিশুটির পায়ের ১৫ শতাংশ জায়গা পুড়ে গেছে। অবস্থা গুরতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

জলঢাকা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিশুটির বাবা আব্দুর রহমান একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’