ডোমারের প্রধান সড়কটি চলাচলে অযোগ্য

জুলফিকার আলী ভূট্টো, ডোমার অফিস- নীলফামারীর ডোমার শহরের প্রধান সড়কটি চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে অসংখ্য খানা-খন্দে হাটু পানি জমে থাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট খাটো দুর্ঘটনা। গত ৫বছর ধরে সড়কের এই করুন অবস্থার সৃষ্টি হলেও দেখার যেন কেউ নেই। ফলে চরম দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে ডোমার বাসীকে।

ডোমার শহরের প্রধান সড়কের ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন থেকে শুরু করে ডোমার দেবীগঞ্জ সড়কের মাদ্রাসা মোড় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার প্রধান সড়কটির করুন অবস্থার কারনে পথচারীদের হেটে চলাও দায় হয়ে পড়েছে। সড়কটিতে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে গর্তগুলোতে হাটুজল লেগে থাকে। এর ফলে বোঝা মুসকিল কোথায় গর্ত রয়েছে এবং গর্তের গভীরতা কতটুকু। এসব গর্তে ছোট-বড় যানবাহন প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। দুর্ঘটনা এড়াতে প্রধান সড়ক সংলগ্ন দোকান মালিকরা গর্তের মধ্যে লাল কাপড়ের পতাকাসহ টেবিলের জন্য বানানো ফ্রেম বসিয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে সংকেত দিচ্ছে।

ফলে ছোট-খাটো যানবাহনসহ পথচারীরা বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করছে। প্রধান এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার বালুবাহী/পাথরবাহী ট্রাক,অর্ধ শতাধিক নাইট কোচ,অসংখ্য ছোট ও মাঝারী আকারের যানবাহন চলাচল করে থাকে। এ ছাড়াও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ অনেকে চলাচল করলেও সড়কটি সংস্কারে দৃষ্টি নেই কারো। সড়কটি সংস্কারের ব্যাপারে টেন্ডার হলেও কাজ শুরু করছেননা ঠিকাদার। এমন অভিযোগ সড়ক বিভাগের। জনরোষ থেকে গাঁ বাঁচাতে সড়ক বিভাগ গর্তগুলো ভরাট করতে রাস্তার পাশে কিছু ব্লাকটপ ফেলে জোড়া তালি দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ব্যাপারে সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী তন্ময় রায় জানান, সড়কটি নিয়ে আমরা বেকায়দায় রয়েছি। ঠিকাদার কাজ শুরু করছেন না। আবার মোবাইল ফোনও ধরছেন না।

এ ব্যাপারে সড়ক বিভাগের বিভাগীয় সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম মোল্লা জানান, আমি নিজে গিয়ে সড়কটি দেখেছি। এলাকার মানুষজন সড়কটির কারনে দুর্ভোগে রয়েছেন। সড়কটির টেন্ডার হয়েছে। সড়কটিতে সিমেন্ট বালু দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ করা হবে। সড়কটির ফাইল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। বৃষ্টির কারনে কাজ শুরু করতে পারেনি।দু-একদিনের কাজ শুরু হলে দৃশ্যমান দেখতে পারবেন।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’