রাস্তার পাশে গরিবের ঘরবাড়ি গ্রাম যেন ভাঙা না হয় : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট-সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রাস্তা সম্প্রসারণ কিংবা নতুন রাস্তা করতে গিয়ে রাস্তার পাশে গরিব মানুষের ঘরবাড়ি ও গ্রাম কিছুতেই ভেঙে ফেলা যাবে না। এ বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে অ্যালাইনমেন্ট পরিবর্তন করে অন্যপাশ দিয়ে রাস্তা ঘুরিয়ে নিতে হবে। আর যদি কারও বাড়িঘর ভাঙতেই হয় তবে সেই ব্যক্তিকে উদারভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। এসময় সরকারি প্রকল্পের পণ্য ও সেবা ক্রয়ে দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘পণ্যের অতিরিক্ত দাম যেন নির্ধারণ করা না হয়। যে পণ্যের যেটুকু দাম সেটুকু নির্ধারণে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’ সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পণ্য ও সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে উচ্চমূল্য নির্ধারণ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এ নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিভিন্ন প্রকল্পের পণ্য কেনার ক্ষেত্রে উচ্চমূল্য নির্ধারণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনলে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে এনইসি সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ‘সরকার অহেতুক সমালোচিত হতে চায় না। আমরা পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের পণ্যের মূল্য নির্ধারণে সাবধান হতে নির্দেশ দিয়েছি। এরকম কাজ আর যেন না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছি।’

প্রকল্পের যেকোনও পণ্যের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাজার যাচাই করতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংশোধনের প্রয়োজন হলে তা প্রকল্প শেষ হওয়ার আগেই করতে হবে। আরভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশে যে বিদ্যুৎলাইন নির্মাণ হবে সেটি দিয়ে শুধু বিদ্যুৎ আমদানিই নয়, ভবিষতে রফতানিরও লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’