ডিমলায় অভিমানী স্ত্রীর সাথে দেখা করার পর গাছে মিলল যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ!

বাদশা সেকেন্দার, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি :
তবারুল ইসলাম (২৩) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। লাশের ময়না তদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে প্রেরণ করেন। তবারুল পার্শবর্তী জলঢাকা উপজেলা ভাবমচুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডের রশিদুল ইসলামের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তবারুল ইসলাম একই উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের জিয়ারুল ইসলামের মেয়ে জেরিন আক্তার (২০) সঙ্গে এক বছর আগে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে রয়েছে তিন মাসের একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তান। বিবাহের পর থেকে উভয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সাথে তাদের সংসারে নানা বিষয়ে ঝগড়া লেগেই থাকতো। তারই মধ্যে স্ত্রী জেরিন বাবার বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার ১০-১৫ দিন হলে গত ২২-সেপ্টেম্বর তবারুল তার স্ত্রী পুত্রের সাথে দেখা করতে শ্বশুর বাড়িতে যায়। সেদিন সন্ধায় বাসায় ফিরে এসে পরিবারের সদস্যদের খোজ খবর নিয়ে বাড়ি হতে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বেড়িয়ে যায়।

পরে তার বাড়ির পূর্ব পার্শে ডিমলা উপজেলা ৮নং ঝুনাগাছ চাপানীর অর্ন্তগত দক্ষিন সোনাখুলি কুটিপাড়া ২নং স্পার দক্ষিনে গাছের সঙ্গে ফাসঁ দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে লোকজন পুলিশে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে। ২৩ সেপ্টেম্বর ডিমলা থানা ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা, এসআই উজ্জল সহ সঙ্গীয় ফোর্স মিলে ঘটনাস্থল থেকে ঝুনাগাছ চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমানের উপস্থিতিতে ঝলন্ত লাশ নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে ডিমলা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মফিজ উদ্দিন শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশটি পরিচয় সুত্রে পার্শ্ববর্তি উপজেলা তার ঠিকানা কিন্তু তার লাশ ডিমলা উপজেলায় পাওয়া গেছে তাই লাশ ডিমলা থানার অধিনে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ডিমলা থানায় ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং একটি ইউডি মামলা হয়েছে, মামলা নং-২৩।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’