কিশোরগঞ্জে মেরামত কাজে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ

খাদেমুল মোরসালিন শাকীর,কিশোরগঞ্জ নীলফামারী প্রতিনিধি \ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মুশরুত পানিয়াল পুকুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মেরামত কাজের টাকা ও বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন কাজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। তারা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন।
সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, মুশরুত পানিয়াল পুকুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯অর্থ বছরে বিদ্যালয় মেরামত কাজের জন্য ১লাখ ৫০ হাজার টাকা ও বিদ্যালয় ভিক্তিক উন্নয়ন কাজের জন্য ৭০হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন শুধু রংকরণ করে বরাদ্দের সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেন। গত বুধবার বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক জানালা মেরামত,বারান্দা মেরামত, ফুলের বাগান প্লাষ্টার ও রংকরণ, ৪টি কক্ষ রংকরণ ও ওয়াশ বøক রংকরণসহ ৮ প্রকার কাজের বিবরন ওয়ালে ঝুলে রেখেছেন। কিন্তু এসব কাজের রিপরীতে কত টাকা তিনি খরচ করেছেন এর হিসাব তিনি দিতে পারেননি। তালিকায় বারান্দা মেরামতের কথা বলা হলেও দেখা গেছে বারান্দার ৩ থেকে ৪টি স্থানের ফাটলে শুধু সিমেন্ট বালু দিয়ে ফাটল বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন কাজের কোন প্রকার মালামাল ক্রয় না করে তিনি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে আজহারুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান , রুবি বেগম, মনোয়ার হোসেন, জিকরুল হকসহ ১৩জন ব্যক্তি ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কাজ না করে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। তারা বলেন, বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন কাজের ডিজিটাল হাজিরা মেশিনের জন্য শুধু ২০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা রেখেছে।
প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন বলেন আমার কাজে আমার কর্তৃপক্ষ খুশি। তদারকি ইঞ্জিনিয়ারও প্লিষ্ট। কে কি অভিযোগ করলো এটা আমার দেখার বিষয় নয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফা আক্তার বলেন কাজে ফাঁকি দিয়ে থাকলে পুনরায় কাজ করে নেয়া হবে।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’