মাহফিলে পুলিশ দেখে উত্তেজিত জনতা, থামালেন আজহারী

নীলফামারীনিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট- কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের বৃহত্তর খরুলিয়ার দরগাহপাড়া স্টেশন সংলগ্ন মাঠে আলোচিত ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

কক্সবাজারে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী আসার খবর শুনে প্রচণ্ড শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে দূর-দূরান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মাহফিল প্রাঙ্গণে আসেন। মাহফিলে দেড় লাখের বেশি লোকের সমাগম ঘটে বলে জানান আয়োজকরা।

স্থানীয়রা জানান, আজহারীর ওয়াজ শুনতে কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়াসহ বেশ কয়েকটি জেলা-উপজেলা থেকে লোকজন মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। যে কারণে রামু থেকে কক্সবাজারসহ পুরো এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। তীব্র যানজটের কারণে আটকে যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটিও।

এদিকে মাওলানা আজহারী বক্তব্য শুরু করার সময় এক অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিজানুর রহমান আজহারী বক্তব্য দিতে মঞ্চে বসার একটু পরেই এক পুলিশ সদস্য এসে তাকে থামিয়ে দেন। এ সময় উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। আজহারীকে বক্তব্য না দিতে প্রশাসন থেকে কোনো বার্তা দেয়া হচ্ছে বলে মনে করে উত্তাল হয়ে ওঠে মাহফিল। চারদিকে হইচই শুরু হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন আজহারী নিজেই। ওই পুলিশ সদস্যের বার্তাটি শোনার পর উপস্থিত জনতাকে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এ সময় মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী নিজেই জনতাকে থামার অনুরোধ করে বলেন, বসেন ভালো কথা বলতেছে। ওয়াজ বন্ধের এমন কোনো বার্তা দেয়া হয়নি। এ মাহফিলকে কেন্দ্র করে পুরো কক্সবাজার শহর জ্যাম হয়ে গেছে এ কথাই জানিয়েছেন ওই পুলিশ সদস্য।

দরগাহপাড়া ইসলামী জনকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ মাহফিলে ওসমান গণির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’