সৈয়দপুর বিমানবন্দরে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ব্যবস্থা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

নীলফামারীনিউজ,ডেস্ক রিপোর্ট-সৈয়দপুর বিমানবন্দরে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের ব্যবস্থা নিয়ে পেপার পত্রিকায় লেখা লেখি হচ্ছে। এই বিমানবন্দর ব্যবহার করে দেশি-বিদেশি যাত্রীরা বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন।এদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ যাত্রীর সংখ্যা বেশি। যাত্রীদের মধ্যে অনেকের যাতায়াত চীনে রয়েছে।যেসকল যাত্রী চীন থেকে আসছে বা অন্য দেশ থেকে আসছে।তারা সরাসরি ঢাকা আন্তর্জাতিক শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করছে।শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যদি ওইসব বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের সঠিক ভাবে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ করা হয়। তা হলে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বা দেশের অন্য অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে করোনাভাইরাসের শনাক্তকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হবে না।এপরও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ব্যবস্থা গ্রহণের পক্ষে বিপক্ষে অনেক মন্তব্য হয়েছে।

যেহেতু অভ্যন্তরীণ এই বিমানবন্দরে প্রতিদিন ঢাকা-সৈয়দপুরে ১০টি ফ্লাইট আসা-যাওয়া করে। এসবের মধ্যে ইউএস বাংলা’র ৪টি, নভোএয়ারের ৫টি এবং বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট রয়েছে। ফ্লাইটগুলোতে প্রতিদিন হাজারের বেশি যাত্রী যাতায়াত করেন। যাত্রীদের অনেকেই বিদেশি।

বিশেষ করে পাবর্তীপুর বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যূৎ কেন্দ্র, ফুলবাড়ি কঠিন শিলা প্রকল্প ও নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি শিল্প প্রতিষ্ঠানে বেশ কিছু চীনা নাগরিক চাকরি করেন। এছাড়াও এই অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী চীনে অধ্যয়ন করেন।

এব্যাপারে,সৈয়দপুর বিমানবন্দরের সহকারি ব্যবস্থাপক মুজিবুর রহমান বলেন, দ্রুতই বিমানবন্দরে করোনাভাইরাস নির্ণয়ের জন্য বুথ খোলা হবে জানান।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের প্রায় ২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এতে প্রাণ হারিয়েছেন হাজারেরও বেশি মানুষ। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে শুরুতে জ্বর ও শুষ্ক কাশি হতে পারে। এর সপ্তাহখানেক পর শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। অনেক সময় নিউমোনিয়াও হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা লাগে। তবে এসব লক্ষণ মূলত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই জানা গেছে।

সেক্ষেত্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একদম প্রাথমিক লক্ষণ কী বা আদৌ তা বোঝা যায় কি-না তা এখনও অজানা। তবে নতুন এই করোনাভাইরাস যথেষ্ট বিপজ্জনক। সাধারণ ঠান্ডা-জ্বরের লক্ষণ থেকে এটি মৃত্যুর দুয়ার পর্যন্তও নিয়ে যেতে পারে।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’