উন্মুক্তমঞ্চ শীর্ষ নিউজ

ডাক্তার বাবুর ফী বলে কথা !

সম্পাদকীয়-মানুষের জন্ম মৃত্যু ভাগ্য নির্ধারণকারী হলো সৃষ্টিকর্তা।সৃষ্টিকর্তার পর যদি পৃথিবীতে মানুষকে নতুন ভাবে বাচতে শিখায় সে হলো একজন ডাক্তার বা চিকিৎসক।সনাতন ধর্মে একজন চিকিৎসকে ভগবানের সমতুল্য মনে করা হয়।একজন ডাক্তার সাধারণ মানুষের কাছে সবসময় দেবতাতুল্য।

এই দেবতাতুল্য ডাক্তার বা চিকিৎসক যখন টাকার মোহে পড়ে দেবতার আসন ছেড়ে যখন অসুরের আসনে অধিষ্ঠিত হয়।তখন তাকে আর ডাক্তার বলা যায় না।সে তখন হয়ে যায় কসাই।কসাইরা কখনও সাধারণ অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট বুঝে না।তারা শুধু বুঝে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়।তাদের কাছে অর্থটাই বড়।তারা বুঝে না করোনাভাইরাস।বুঝে না মহামারী।সারা বিশ্বের মানুষ যখন ভয়ানক করোনাভাইরাসের আতষ্কে দিশাহারা।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ মৃত্যু বরণ করছে।বাংলাদেশও করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে।করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক, বীমা, এনজিও ঋণের টাকা পর্যন্ত মওকুফ করছে খবর পাওয়া যায়।

দেশের মানুষকে করোনাভাইরাসের মরণ ছোবল থেকে রক্ষা করতে সরকারকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান।আর এই সংকটময় সময়ে করোনাভাইরাসের কোনো বাদ বিচার না করে কিছু ডাক্তার চিকিৎসা ব্যবস্থা পত্রের নামে সাধারণ মানুষের গলা কেটে পরামর্শ ফি আদায়ের করার অভিযোগ রয়েছে।বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে এই অভিযোগ বেশি।দেশের বেশির ভাগ উপজেলা শহর হচ্ছে শ্রমিক অধ্যশীত এলাকা।

ওইসব এলাকার মানুষ সাধারণত দিন মজুর শ্রমিক।এরা দিন আনে দিনে খায়।এসব অসহায় মানুষগুলো অসুস্থ হলে বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে গেলে ডাক্তারদের পরামর্শের ফি দিতে হয়।ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ ফী এতো বেশি যে, তারা ফী দিয়ে আর তাদের ঔষধ কেনার টাকা থাকে না।আর টাকার অভাবে তারা ঔষধ কিনতে পারে না।ঔষধের অভাবে রোগ নিয়ে ধুকত থাকে।দেখাগেছে, চিকিৎসকরা পরামর্শ ফি পাঁচশত থেকে সাতশত টাকা নিয়ে থাকেন।

অনেকে আবার ডাক্তারবাবুদের ফীর টাকার অভাবে রোগ নিয়ে ঘরেই বসে থাকে।চিকিৎসকের ব্যবস্থা পত্রের টাকা দিতে অনেকে ফতুর হয়ে যায়।আর তাদের ঔষধ ক্রয়ের টাকা থাকে না। ঔষধের অভাবে তারা রোগ নিয়ে জীবন যুদ্ধে পরাজিত হয়ে মৃত্যু বরণ করে।এসব অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ব্যবস্থা পত্র দিলে চিকিৎসকদের খুব বেশি ক্ষতি হবে কি ?