ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা এখন কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জঃ দেশের একমাত্র উত্তরের নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা এখন পুরোপুরি ভিক্ষুকমুক্ত। গোটা উপজেলা জুড়ে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না একজন ভিক্ষুকও। জাপান উন্নয়ন প্রকল্প কাইযেন ধারণা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে
এখানকার উপজেলা প্রশাসন ভিক্ষুকদের তালিকা তৈরি করে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পসহ নানামুখী প্রকল্পের মধ্যদিয়ে এসব ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করেছে। ভিক্ষা নয়, পণ্য কিনে সহযোগিতা করুন- এমন স্লোগানকে ধারণ করে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটে-বাজারে ভুট্টার খই বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন এক সময়ের পথ ভিক্ষুক ময়েজ উদ্দিন। শুধু ময়েজ উদ্দিনই নয়, উপজেলার গাড়াগ্রাম কুঠিরপাড়ের বাচ্চানি বেওয়া, দলিরামের প্রশান্ত, গিরিবালা আর টেপারহাটের রহিম শেখ এরা সকলেই এক সময় ভিক্ষাবৃত্তির
সাথে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু এখন আর এদের কেউই ভিক্ষার ঝুলি হাতে তোলেন না। একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্পসহ বেশকিছু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের সকলেই এখন
পুনর্বাসিত। কয়েকজন এলাকাবাসী এবং গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিপ্লব কুমার সরকার জানান, এক সময় বিভিন্ন গ্রামে- গঞ্জে ভিক্ষুকদের দেখা গেলেও এখন আর আগের মতো তাদেরকে দেখা যায় না। জাইকার কারিগরি সহযোগিতায়
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ২০০৭ সাল থেকে ইম্প্রুভিং পাবলিক সার্ভিস থ্রু টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। জনসেবার মানোন্নয়নে টিকিউএম
বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জাপানি ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্রোচ হিসেবে
কাইযেন ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সিদ্দিকুর রহমান। কাইযেন ধারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাত্র ৪ মাসের প্রচেষ্টায় ২০১৪ সালের ৫
জুলাই নীলফামারীর কিশোরগঞ্জকে।ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’