ডোমার শীর্ষ নিউজ

ডোমারে সংস্কারের তিন মাস যেতে না যেতেই রাস্তার বেহাল দশা

নীলফামারীনিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট: ডোমারে ৪২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে রাস্তা সংস্কারের তিনমাসের মধ্যেই আবারো পুরানো চেহারায় রয়েছে ডোমার-দেবীগঞ্জ সড়কের অবস্থা। ফেব্রুয়ারী মাসে রাস্তা সংস্কার করা হলেও নির্মানের দুই মাসের মধ্যে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে রাস্তাটি। রাস্তার বেহাল দশায় ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে। রাস্তাটির বেহাল দশার কারনে ডোমার-দেবীগঞ্জ সড়কটি চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পরেছে।

স্থানীয়রা জানায়,ফেব্রুয়ারী মাসের শেষ সপ্তাহে ডোমার রেলগেট থেকে ১৬০০ মিটারের বিভিন্ন পয়েন্টে নতুন করে কার্পেটিং করা হলেও দুই মাসের মধ্যেই বড় বড় গর্ত ও রাস্তার ইট ও পিচ বের হয়ে যেয়ে বিশাল গর্তে পরিনত হয়েছে। নিম মানের সামগ্রী এবং অফিসের ভুলে এমনটি হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারন মানুষ। তবে ঠিকাদাররা জানিয়েছেন এই রাস্তা দিয়ে ১০ চাকার যান চলাচল ঝুকিপৃর্ন হলেও প্রতিদিন প্রায় শতাধিক ট্রাক এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করায় রাস্তা এমন দশা হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জহুরুল ইসলাম জানান,ডোমার-দেবীগঞ্জ সড়কের রেলগেট দেড় কিলোমিটার ভাঙ্গা অংশ মেরামতের জন্য ৪২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সংস্কার কাজ হাতে নেয়া হয়। কিন্তু তিন মাসের মধ্যেই সড়টির কার্পেটিং উঠে যেতে থাকে। আমরা যেসব জায়গায় রাস্তা নষ্ট হয়েছে তা সাময়িকভাবে আবার মেরামত করছি। অচিরেই রাস্তাটি আবার চলাচলের উপযোগী হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। ডোমার-দেবীগঞ্জ সড়কের প্রায় ১০ থেকে ১২টি জায়গায় আবারো বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। শাওন নামে এক ছাত্র বলেন,থানার সামনে গত কয়েকবছর থেকে রাস্তার যে বেহাল দশা ছিল রাস্তার কাজ শুরু হওয়ায় অনেকেই ভেবেছিলো এবার মনে হয় সাধারন মানুষের ভোগান্তি কমবে। কিন্ত রাস্তা মেরামতের তিনমাসের মধ্যেই রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে এমনকি শহড়ের প্রধান জায়গায় রাস্তায় বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিনেই ছোট ছোট দুর্ঘটনা ঘটছে। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম না জানার শর্তে বলেন, অফিসের ভুলে রাস্তার এমন দশা হয়েছে। তিনি বলেন, একশ মিটার রাস্তার মশলা দিয়ে ৪০০ মিটারের কাজ করে নেওয়া হয়েছে ঠিকাদারের কাছ থেকে। তাই রাস্তা মেরামতের তিনমাসের মধ্যেই আবার রাস্তা ভেঙ্গে গেছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বড় বড় গর্তগুলোতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্যোগে হিরিমবোর্ট তৈরি করা হচ্ছে।কর্মচারীরা জানান,বর্ষা মাস শুরু হওয়ায় আপাতত জনগনের দুদর্শা লাঘবের জন্য এটা করা হচ্ছে।