নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পরপর ৫স্থানে আগুন দিল এক ‘পাগল’ • প্রায় ১হাজার মণ ধান পুড়ে ছাই !

খাদেমুল মোরসালিন শাকীর, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি- নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নে বুধবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগতরাত আনুমানিক দেড়টার সময় থেকে শুরু করে পরপর ৫ জায়গায় অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে এক পাগল। পাগলের এমন কান্ডে প্রায় ১হাজার মন ধানের ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ৫ স্থানে অগ্নিসংযোগের পর এলাকাবাসী পাগলকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

অগ্নিকান্ড চলাকালীন সময় রাত ২টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রনে আনলেও আজিজার রহমান নামক এক কৃষকের ১৮ বিঘা জমির খরসহ প্রায় ৪শ মন ধান তখনও ধিকিধিকি করে জ্বলছে।

এ সময় তার স্ত্রী আহাজারি (কান্না) করে বলতে থাকে, তাদের পূর্ব শত্রুরাই এ অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে। কিন্তু ঘটনার সত্যতা যাচাই হয় পরপর আরো চার জায়গায় অগ্নিসংযোগের পর।

অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে কফিল উদ্দিন নামক এক পাগল। প্রথমে ৬ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম দলিরাম তিন ঘরিয়ায় আজিজার রহমানের খরসহ ধানের পুঁঞ্জে (স্তুপ) অগ্নিসংযোগ ঘটায়। পরে একই গ্রামের জসির উদ্দিনের খরের পুঁঞ্জে (স্তুপ) অগ্নিসংযোগ ঘটায়। তারপর জুম্মাপাড়ায় রশিদের ধানের আঁটির পুঁঞ্জে (স্তুপ), একই ভাবে ৩ নং ওয়ার্ডের জয়নাল আবেদিন ও রফিকুল ইসলামের ধানের আঁটির পুঁঞ্জে (স্তুপ) অগ্নিসংযোগ ঘটায়। সর্বশেষে গাড়াগ্রামে এলাকাবাসীর হাতে ধরা পরে কফিল পাগলা। এলাকাবাসী তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়, পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং কফিল পাগলাকে থানায় নিয়ে যায়।

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রশীদ বলেন, পাগল কফিল উদ্দিনকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

Comments

comments

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।’