দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে ডোমার মডেল রিসোর্স সেন্টার

নীলফামারীনিউজ, ডোমার অফিস- নীলফামারীর ডোমারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডোমার মডেল রিসোর্স সেন্টার উপজেলা সাব অফিসটি অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধিনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গনশিক্ষা কার্যক্রমের ডোমার মডেল রিসোর্স সেন্টার উপজেলা সাব অফিসের ফিল্ড সুপার সাইফুল ইসলাম ও মডেল কেয়ার টেকার এমতাজ আলী মসজিদ ভিত্তিক কেন্দ্রে শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, পরবর্তিতে শিক্ষকদের জিম্মি করে অর্থ আদায় সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম এবং অর্থ আদায়ের ঘটনায় ফিল্ড সুপার সাইফুল ইসলামকে তাৎক্ষনিক কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বদলী করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, ফিল্ড সুপার সাইফুল ইসলাম ২০১৫ইং সনের জুলাই মাসে ডোমার সাব-অফিসে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তিনি বিভিন্ন সময়ে ডোমার উপজেলায় নতুন নতুন কেন্দ্র খুলে শিক্ষকদের কাছে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিয়োগ দেন। এসকল শিক্ষকদের কেউ টাকা না দিলে পরবর্তিতে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তাদের বাদ দেয়া হয়।

এছাড়াও কেন্দ্রের শিক্ষকদের চাকুরী থেকে বাদ দেয়ার হুমকী দিয়ে বেতন আটকে রেখে টাকা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্র শিক্ষক নুরে আলম রইসি, মাহমুদুল হক, আব্দুর রাজ্জাক, মিজানুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাদিকুল ইসলাম, আনজুয়ারা বেগমসহ অনেকে তাদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে নিয়োগ দেয়ার সত্যতা স্বীকার করেন। সম্প্রতি ২০১৭ইং সালের ডিসেম্বরে ডোমার উপজেলায় ১৫টি নতুন কেন্দ্রে শিক্ষক নিয়োগে টাকা নেয়ার অভিযোগে ফিল্ড সুপার সাইফুল ইসলামকে কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বদলী করা হয়েছে।

তবে ফিল্ড সুপার সাইফুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে নীলফামারী উপ-পরিচালক এরফান আলী নীলফামারীনিউজকে জানান, কেন্দ্র শিক্ষকদের নিয়োগ পরিক্ষায় অনিয়মে সহায়তা করার কারনে তাকে অনত্র বদলী করা হয়েছে। তবে শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ নেয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে তিনি জানান।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।’