শীতের আমেজেও অতিথি পাখি নেই নীলফামারীর ‘নীলসাগরে’

নীলফামারীনিউজ, এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট- নীলফামারীর নীলসাগর! ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের জন্য অবসর ও সময় কাটানোর এক মাত্র বিনোদন কেন্দ্রে। জেলা সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাংগা মৌজায় এর অবস্থান।

৩৭ একর জমির ওপর নির্মিত ‘নীলসাগর দিঘীর’ চারপাশ নানান প্রজাতির গাছে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ অতিথি পাখিরাও। তাই প্রতি বছরই ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির আগমন ঘটে নীলফামারী জেলার একমাত্র দর্শনীয় স্থান নীলসাগর দিঘীতে।

.
সেই সাথে দর্শনার্থীদের বাড়তি নজর কাড়ে শীতকালীন অতিথি পাখিদের অবাধ বিচরণ। শীতের মৌসুমের শুরুতেই অন্যান্য বছরে অতিথির পাখিদের কলকাকলি ডাকে মুখরিত হয়ে থাকতো চারপাশ। তবে চলতি বছরে তার ব্যতিক্রম। অবাক করা ব্যাপার হল, এবার অতিথি পাখিদের আগমন ঘটেনি নীলফামারীর পর্যটন স্পট নীলসাগর দিঘীতে। এতে পাখি দেখতে না পেয়ে নীলসাগর ঘুরতে অাসা দর্শনার্থীদের অনেকেই ক্ষুব্ধ।


.
এদিকে, দর্শনার্থীরা অতিথি পাখি না অাসার পিছনে পাখিদের জন্য সুব্যবস্থা আর নিরাপত্তার অভাবকে দায়ী করলেও ভিন্ন কথা বলছে দিঘীর পাড়ের মন্দিনের পুরোহিত অমরেশ বর্মণ।

দর্শনার্থীদের উৎপাতকে দায়ী করে তিনি নীলফামারীনিউজকে বলেন, অতিথি পাখি সাধারণত নিরিবিলি পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে। তবে এই দিঘীর চারপাশে দর্শনার্থীদের জটলা লেগেই থাকে। নিত্যদিনেই এখানে অতিথি পাখি দেখতে প্রচুর দর্শনার্থী আসেন। এসব দর্শনার্থী অতিথি পাখির ছবি তোলেন। আর এ সময় ঢিলও ছোড়েন, যাতে অতিথি পাখির স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট হয়।


.
এবার অতিথি পাখি কম বলে স্বীকার করেছেন নীলসাগরের পরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তীও। তিনি স্বাভাবিক কারণেই অতিথি পাখি কম আসছে উল্লেখ করে নীলফামারীনিউজকে বলেন, অথিতি পাখিরা সাধারণত শীত মৌসুমের শুরুতে এসে পুরো শীতের মৌসুমে অবস্থান করে অাবার শীতের শেষে তারা চলে গেলেও এবার আগেভাগেই চলে যাচ্ছে।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’