জলঢাকায় ঈদের ভিজিএফ চাল নিয়ে উত্তেজনা! ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া!

ভ্রাম্যমান সংবাদদাতা- নীলফামারীর জলঢাকায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহার বিশেষ বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল নিয়ে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। এ ঘটনায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সম্প্রতি উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে কালোবাজারে চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ফলে ধর্মপাল ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন ঘরে সীলগালা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) আবুল কালাম আজাদ।

এদিকে এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রকৌশলী হারুন-অর রশীদকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার সকাল থেকে শুরু হয় ইউনিয়ন পরিষদের রক্ষিত চালের বস্তা গননার কাজ। এসময় সাবেক চেয়ারম্যানের লোকদের সাথে বর্তমান চেয়ারম্যান সমর্থকের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ২৪৬ বস্তা চাল নিয়ে একটি ট্রাক্টরের ট্রলিতে করে পাশ্ববর্তী ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি বাজার এলাকায় ট্রলিটি পৌঁছলে স্থানীয়রা আটক করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চালসহ ট্রলিটি থানায় নিয়ে যায়। চালের বস্তাগুলো জলঢাকার ধর্মপাল ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান ওই চাল তার নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, এবারের ঈদুল আযহার জন্য ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭৮০ মেট্রিক টন চাল। এসব চাল ৮১ হাজার পরিবারের মাঝে ২০ কেজি করে বিতরণ করা হবে।

সরেজমিনে রবিবার বিকালে ইউনিয়ন পরিষদে গেলে কথা হয় ওই ইউনিয়নের ভিজিএফ চাল বিতরণ কমিটির সদস্য আবু তালেব ও শাহজাহান চৌধুরী রানুর সাথে, তারা জানান, আমাদের ইউনিয়নে ৬ হাজার ৩শত ৭৫ পরিবারের বিপরীতে ১শত ২৭ দশমিক ৫ মেঃ টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। তারা আরও জানান, যে চাউল ডোমার থানায় আটক হয়েছে তা আমাদের নয়। গোডাউনে গণনার কাজ চলছে শেষ হলেই বুঝতে পারবেন ওটা কার চাল। এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। তদন্তের কাজ চলছে।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।’