ডিমলায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ঘটনা সৃষ্টি করে মামলা দেওয়ার চক্রান্ত!

বাদশা সেকেন্দার, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি- (৭ সেপ্টেম্বর) শুক্রবার সকাল ১১ টায় ডিমলা সদর ইউনিয়নের বাবুরহাট শিব মন্দির পাড়া এলাকার মৃত: নারায়ন চন্দ্র ভূইমালীর স্ত্রী বাসন্তী ভূইমালীর বাড়ীর ভিতরের টিন দিয়ে নির্মিত একটি মন্দির ঘর নিজেরাই ভাংচুর করে এবং বাসন্তীর পুত্র হিরা লাল (১৬) কে মাথায় ব্লেড দিয়ে কেটে জখম করে চিৎকার করে প্রতিবেশীকে জানায় তার বাড়ীঘর লুট করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী ছুটে এসে আহত হিরালালকে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে বাসন্তী ভূইমালী বলেন- পার্শ্ববর্তী বাড়ীর আতাউর রহমান, ধিরেন ভুইমালী ও মহুবর রহমান তারা এসে আমার মন্দির ঘর ভাংচুর ও আগুন দেয় এবং হিরালালকে মাথায় আঘাত করে।

উল্লেখ্য যে, গত ৫ই আগষ্ট বাসন্তী ভূইমালী, কৈলাশ ভ’ইমালী সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ধিরেন ভূইমালী তার বাড়ী জবর দখল করার কারনে ডিমলা থানায় একটি মামলা করেন। এখন বাসন্তী ও কৈলাশ ভূইমালী পূর্বের মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে নতুন ঘটনা সৃষ্টি করে ডিমলা সদর বাবুরহাট গ্রামের নছিমন ভুইমালীর ছেলে ধিরেন ভূইমালী, খগা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের বন্দর খড়িবাড়ী গ্রামের মৃত: তছমুদ্দিনের ছেলে আতাউর রহমান (৪৫) ডিমলা সদর বাবুরহাট গ্রামের মৃত: চাটি মামুদের ছেলে মহুবর রহমান (৫০) কে আসামী করে নতুন মামলা করার একটি চক্রান্ত করেছে। আসলে বাড়ী ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও জমি দখল কোন কিছুই সত্য নহে। ইহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে এলাকাবাসী জানান। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজও রয়েছে।

শনিবার দুপুর ২.৩০ মিনিট সময় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল ও ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ, ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা, এস.আই ইলিয়াছ ও সর্ঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভিডিও ফুকেস দেখে এলাকায় সরেজমিনে তদন্ত করে হাফিজুল ইসলাম (হাফি) হচ্ছে বাদীর স্বাক্ষী। বাদীনির স্বাক্ষীকে আটক করে ঘটনা সংঘটিত হওয়ার অন্যান্য ব্যক্তিদের এলাকায় বিভিন্ন বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে ভিডিও ফুটেজের ছবি দেখায় এবং বাদীনির স্বাক্ষীকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হয়েছে বাদীনি ও বাদীনির স্বাক্ষীগণ সহ নিজেরাই এ ঘটনাটি ঘটায়।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।’