বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে লাশ হলেন নীলফামারীর দুই যুবক

নীলফামারীনিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট- নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দুই যুবকের গলাকাটা ও রশিতে ঝুলানো লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদের দুজনই বন্ধু এবং তারা নীলফামারী থেকে সোনারগাঁওয়ে বেড়াতে এসেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সোনারগাঁওয়ের সোনাপুর কলাবাগান এলাকার হাসনা বেগমের বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাদশা ও লাইলি বেগম নামে ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বামনিয়া এলাকার দুলু মাহমুদের ছেলে মজুন মিয়া (২৭) ও জোরাবালি এলাকার মিনারুল ওরফে মিনু (২৮)।

তাদের মধ্যে মজনুর গলায় ফাঁস দেওয়া আর মিনারুলকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে।

সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদ জানান, নীলফামারি জেলার ডোমার থানার জোড়াবাড়ি গ্রামের এরশাদুলের ছেলে মিনারুল ও একই থানার ব্রামানিয়া গ্রামের দুলু মিয়ার ছেলে মজনু গত ২৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুর-সোনাপুর কলাবাগান এলাকায় হাসনা বেগমের বাড়ির ভাড়াটিয়া বাদশা মিয়ার বাসায় বেড়াতে আসেন। বাদশা মিয়া নীলফামারি জেলার ডোমার থানার উত্তর গোমনাথ গ্রামের ইয়াছিন মিয়ার ছেলে। পরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই বাসা থেকে মিনারুলের গলাকাটা এবং গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় মজনুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। মজনুর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাদশা ও ওই বাড়ির আরেক ভাড়াটিয়া লাইলি বেগমকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার পর থেকে বাড়ির মালিক হারেস মিয়া ও হাসনা বেগম পলাতক রয়েছেন।

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।’