মইনুলের বিষয়টা এখন আমার একার ব্যাপার নয় : মাসুদা ভাট্টি

নীলফামারীনিউজ, ডেস্ক রিপোর্ট- ব্যারিস্টার মইনুল বিতর্কের বিষয়টা নিজের একার ব্যাপার নয় বলে মন্তব্য করেছেন মাসুদা ভাট্টি। বিবিসি বাংলাকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাসুদা ভাট্টি বলেন, এটা সত্যি যে তিনি আমাকে (টকশোতে চরিত্রহীন বলার পর) ফোন করেছিলেন। কিন্তু আমি তাকে বলেছি বিষয়টা এখন আমার একার ব্যাপার নয়। তবু তিনি যদি ভুল স্বীকার করেন, তাহলে মামলা উঠিয়ে নেয়ার কথা বিবেচনা করতে পারি।

এদিকে বাংলাদেশের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন তার বিরুদ্ধে করা দুটি মানহানির মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বর্ণনা করেছেন।

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আমরা সরকারের বিরুদ্ধে একটি জোট গঠনের চেষ্টা করছেন বলেই সরকার দুশ্চিন্তায় পড়েছে।

তাই এই ধরনের মামলার জন্য তিনি প্রস্তুত আছেন বলেই জানান। তবে মামলার আদালত থেকে তিনি জামিন নিয়েছেন।

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আমাদের দেশে মামলা দেয়াটা এখন রাজনীতির অংশ হয়ে গিয়েছে। এখনকার রাজনীতি হলো মামলা দিয়ে, পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা। এর পেছনেও সে ধরনের কিছু একটা আছে। দেখুন, একটু মামলা দায়ের করেছে আওয়ামী লীগের মহিলা শাখা, অন্যটি মহিলা নিজে।

সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির দায়ের করা একটি মানহানির মামলা এবং জামালপুরে দায়ের করা ভিন্ন একটি মামলায় মি. হোসেনের বিরুদ্ধে আদালত রোববার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

মাসুদা ভাট্টি ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে দণ্ডবিধির ৫০০/৫০৬ ধারায় ওই মামলা দায়ের করেন।

পাশাপাশি যুব মহিলা লীগের জামালপুর শাখার আহ্বায়ক ফারজানা ইয়াসমীন আদালতে ২০,০০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন। ওই আদালত থেকেও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত ১৬ই অক্টোবর ঢাকার একটি টিভি টক-শো’তে রাজনৈতিক সংবাদের বিশ্লেষণ আলোচনায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন উপস্থিত মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলে বর্ণনা করেন।

সোশাল মিডিয়াতে আলোচনার সূত্র ধরে টক শো অতিথি মাসুদা ভাট্টি জিজ্ঞেস করেন মইনুল হোসেন জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করছেন কিনা?

জবাবে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই।

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, একটা ঘটনা ঘটেছে। তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলাম। তারপর আমি প্রেসে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলাম। আমি ভাবতেই পারি না কোন সাংবাদিক আমাকে এভাবে অপমান করে প্রশ্ন করতে পারে। আমি কি বাংলাদেশে এতটাই অপরিচিত যে জামায়াতের এজেন্ট হয়ে আমাকে ঐক্য-প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে?” সূত্র: বিবিসি বাংলা

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।’