সৈয়দপুরে জেএসসি পরীক্ষার্থীদের সাথে বিমাতাসুলভ আচরণ!

মো. জাহিদুল হাসান জাহিদ- নীলফামারীর সৈয়দপুরের পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা দারুন দূর্ভোগের মধ্যে পড়েছে৷ পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক এই অভিযোগটি করেন৷

তারা নীলফামারীনিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সকালে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রে জে এস সি পরীক্ষার্থীদের স্বচ্ছ প্লাস্টিক ফাইল ও পেন্সিল বক্স বা জ্যামিতি বক্স নিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দিলে, প্লাস্টিক ফাইল ও কলমের বক্স নিয়ে পরীক্ষার্থীরা দারুন ভোগান্তির ভিতর পড়ে৷

পরে তাদের অভিভাবকের কাছে ওসব জিনিস রেখে পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে হয়৷ তবে সব থেকে বেশী অসুবিধায় পড়ে মেয়ে পরীক্ষার্থীরা৷ তারা এক হাতে কলম স্কেল অন্য হাতে নিবন্ধন কার্ড ও প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন ফলে পরীক্ষার সময় তাদের বেশ অসুবিধা হয়েছে বলে জানান তারা৷

আবার অন্য দিকে দেখা গেছে, সৈয়দপুর শহরের সরকারী কারিগরি বিদ্যালয়, ক্যান্টপাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড হাই স্কুল কেন্দ্র গুলোতে ভিন্ন চিত্র৷ জেএসসি’ এই তিনটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা তাদের স্বচ্ছ প্লাস্টিক ফাইল ও পেন্সিল বক্স বা কলম রাখার বক্স নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়৷

সচেতন অভিভাবকগন বলেন, সৈয়দপুরে জেএসসি পরীক্ষার ৪টি কেন্দ্র৷ ৩ টিতে এক নিয়ম আর ১টিতে অন্য নিয়ম৷ এটি বিমাতাসুলভ আচরণ৷ এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন তারা সবাই৷

এ ব্যাপারে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং কেন্দ্র সচিব রাজিব আহম্মেদ নীলফামারীনিউজকে বলেন, স্বচ্ছ প্লাস্টিক ফাইল, পেন্সিল বা কলম বক্স নিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে আসা যাবে না৷ তিনি এও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যেহেতু পরীক্ষার কেন্দ্রের সভাপতি তিনি নির্দেশ দিলে এই ব্যাপারটির সমাধান করা হবে৷

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম গোলাম কিবরিয়া বলেন, এই বিষয়টি সম্পূর্ন কেন্দ্রের সচিবের এখতিয়ার৷ তারপরও বিষয়টি দেখবেন বলে জানান তিনি৷

‘এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোন সংবাদ বা তথ্য কপি/পেষ্ট করে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে অবৈধ।’

‘সব ধরনের ঘটনা আমাদের জানাতে ০১৭১০৪৫৪৩০৬ নাম্বারে কল করুন।’